শিরোনাম :
চট্রগ্রামের শিশুসাহিত্য উৎসবে নারায়ণগঞ্জের মান রাখলেন সেন্টু-শান্তু বিপর্যয় এড়িয়ে এবারও সেরা বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নারায়ণগঞ্জ জেলা দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর সনদপত্র বিতরণ সম্পন্ন বন্দরে মুছাপুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আবুল কাউছার আশার মতবিনিময় সভা। সাইনবোর্ডে ১২ ফুট রাস্তা দখলের অভিযোগ, রাজউক ও থানার নোটিশের পরও নির্মাণকাজ চলার দাবি সাতকানিয়ায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন। সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর শোকবার্তা ফরাজীকান্দা কাজী বাড়ি হতে রেললাইন পর্যন্ত সরু রাস্তাটির বেহাল দশা! বন্দর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ৥ গ্রেফতার-৩ বন্দরে একমাসেও বিচার পায়নি ট্রাক চাপায় নিহত ও আহতদের পরিবারগুলো
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

বিপর্যয় এড়িয়ে এবারও সেরা বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ

প্রতিনিধির নাম / ৯৩ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

বন্দর প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এর কলেজভিত্তিক ফলাফলে উপজেলাজুড়ে সামগ্রিক ফলাফলের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা গেলেও অনন্য সাফল্য অর্জন করে উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে ‘বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।
ঘোষিত ফলাফলের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার সর্বমোট ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার ২,৭১০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৮৮১ জন শিক্ষার্থী এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১,৮২৯ জন। ফলে উপজেলায় সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩২.৫১ শতাংশে এবং পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে সর্বমোট ১২ জন শিক্ষার্থী।
সামগ্রিক এই হতাশাজনক চিত্রের মাঝেও কৃতিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ২২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১২১ জন সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। উপজেলায় প্রাপ্ত ১২টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে এককভাবে ৭টি জিপিএ-৫ অর্জন করেছে এই কলেজের ছাত্রীরা। এছাড়া উপজেলার সর্বোচ্চ ৫৪.৫০% পাসের হার অর্জন করার গৌরবও অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
তালিকার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরকারি হাজী ইব্রাহিম আলম চান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৮৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ১১৫ জন পাস করেছে (পাসের হার ৪০.৩৫%)। বিএম ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭৪ জন অংশ নিয়ে ২৭ জন পাস করে (পাসের হার ৩৬.৪৯%)। এছাড়া সরকারি কদম রসুল কলেজে ১,৮৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৫৮ জন (পাসের হার ২৯.৪৯%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন) এবং নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া কলেজে ২১৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৮ জন (পাসের হার ২৬.৬১%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন)।
অন্যদিকে, আলহাজ্জ ফজলুল হক গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪ জনের মধ্যে ১ জন পাস (২৫.০০%) এবং ঢাকেশ্বরী মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭ জনের মধ্যে ১ জন পাস করেছে (১৪.২৯%)। সবচেয়ে করুণ চিত্র দেখা গেছে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজে; যেখানে ৮ জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ শিক্ষার্থীই অনুত্তীর্ণ হয়েছে। একদিকে উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ভরাডুবি এবং সার্বিক পাসের হারের নিম্নগতি, অন্যদিকে বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ ও পাসের শীর্ষে থাকার কৃতিত্ব উপজেলার শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। কলেজের শিক্ষক মণ্ডলীর সঠিক দিকনির্দেশনা ও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমই এই অর্জনের মূল ভিত্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর